শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন
দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী জামায়াত-বিএনপি স্থানীয় নির্বাচনসহ সব ধরণের নির্বাচন বর্জন করছে। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু কিছু নেতা তবুও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হচ্ছে তাদের। কেউ কেউ আবার দলের সিদ্ধান্ত মেনে কোনো প্রকার নির্বাচনী কাজ অংশ না নিয়েও নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের সিলেট সিটি নির্বাচনে বিএনপির ৭ জন ও জামায়াতের ৬ কাউন্সিল হয়েছেন।
জানা যায় সিলেটে সাধারণ কাউন্সিলর পদে বিএনপির ৬ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে একজন নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে জামায়াতের ৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে দুইজন নির্বাচিত হয়েছেন
বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ৮ ঘণ্টা ভোটের পর ঘোষিত ফলাফলে বেসরকারিভাবে তারা বিজয়ী হয়েছেন।
আলোচিত সেই ৭ জন হলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১নং বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ৬নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও বর্তমান কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুমিন, ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও বর্তমান কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান, ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কাউন্সিলর আব্দুল রকিব তুহিন, ৩৯নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন।
মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি মোছা. রুহেনা খানম মুক্তা সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন।
এদিকে জামায়াতের যারা নির্বাচিত হয়েছেন : ৭নং ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন সায়ীদ মো. আবদুল্লাহ। লাটিম প্রতীকে নির্বাচন করে ৩৩১৯ ভোট পেয়েছেন তিনি। ১৬নং ওয়ার্ডে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন বর্তমান আব্দুল মুহিত জাবেদ। ট্রাক্টর প্রতীকে নির্বাচন করে ২১০৮ ভোট পেয়েছেন তিনি। ২৭নং ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন আব্দুল জলিল নজরুল। টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীকে নির্বাচন করে ১৮৫৪ ভোট পেয়েছেন তিনি।৩৭নং ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন রিয়াজ মিয়া। টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীকে নির্বাচন করে ৮৪১ ভোট পেয়েছেন তিনি। ৭, ৮ ও ৯ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ড রেবেকা বেগম এবং ২৫, ২৬ ও ২৭ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ড ছমিরুন নেছা।
এ ছাড়া সাতটি ওয়ার্ডে জামায়াতের প্রার্থীরা দ্বিতীয় হয়েছেন।